গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের ১১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

0
13

পান্না,রাজশাহী ব্যুরো :

রাজশাহীর গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের ১১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। রোববার রাজশাহীর অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক জুয়েল আধিকারি এ পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানকে মারপিটের অভিযোগে ১১ শিক্ষককে আসামী করে মামলাটি দায়ের করা হয়। অধ্যক্ষ নিজেই ওই মামলার বাদী। মামলা নম্বর ২৪২৭/১৮। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আজিমুশসান উজ্জল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামীরা হলেন, গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ ও নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর থানার কেন্দুয়া গ্রামের মুনসুর রহমানের ছেলে উমরুল হক (৫২), সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও গোদাগাড়ী উপজেলার কেল্লা বারইপাড়া গ্রামের মৃত এরফান আলীর ছেলে এবিএম কামারুজ্জামান (৫৯), রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও গোদাগাড়ী উপজেলার সারাংপুর গ্রামের আয়েজ উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে তাইনুস আলী (৩৫), দর্শন বিভাগের প্রভাষক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার তৈয়ব আলীর ছেলে মাইনুল ইসলাম (৪৫), সমাজ কল্যাণ বিভাগের প্রভাষক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের মৃত এমাজ উদ্দিনের ছেলে হান্নান হোসাইন (৫৭), মনো বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও গোদাগাড়ী থানার বুজরুক গ্রামের জসিম উদ্দিন সরকারের ছেলে ফারুক হোসেন (৫২)।

গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের প্রাণি বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নয়ানশুকা গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে শহীদুল হক (৫৯), গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের আইসিটি বিভাগের প্রভাষক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার রোকনপুর গ্রামের বানী ইসরাইলের ছেলে ইউনুস আলী (৩৩), সহকারী অধ্যাপক ও রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার প্যারামেডিক্যাল রোডের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে জহিরুল ইসলাম (৫২), দর্শন বিভাগের প্রভাষক আব্দুল করিম (৫১) ও ব্যাংকিং বীমা বিভাগের প্রভাষক মাজহারূল ইসলাম (৫১)।
মামলার বিবরনীতে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৯ আগষ্ট বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে কলেজের সব শিক্ষক-কর্মচারী ও গভার্নিং বডির অন্য সদস্যদের উপস্থিতিতে সভা শুরু হয়। সভা চলাকালিন সময়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ৭ থেকে ৮ জন লোক দলবদ্ধভাবে অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানের উপরে হামলা চালায়।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আজিমুশসান উজ্জল জানান, এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মামলা দায়ের করলে প্রকাশ্য আসামীগুলোতে অজ্ঞাত দেখিয়ে পুলিশ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই অভিযোগপত্রের উপরে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আদালতে নারাজীর আবেদন করেন।
ওই আবেদনের প্রেক্ষিতেই মামলার তদন্তভার দেয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর কাছে। পরে পিবিআই তদন্ত রিপোর্ট জমা দিলে আদালত অভিযুক্ত ১১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন।