বাঘায় ছাত্রলীগের কর্মীকে মারপিট কারীদের গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ

0
551

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘায় ছাত্রলীগের কর্মী সোহাগ হোসেনকে মারপিট কারীকে গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করা হয়। পরে উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয় ঘেরাও করে রাখেন আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

এ নিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে বাঘা পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর শাহীনুর রহমান পিন্টুর কর্মী-সর্মথকদের সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ঘটনার সময় উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক এ্যাড. লায়েব উদ্দিন লাভলু উপজেলা কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।
জানা যায়, একটি অনলাইন টকশোতে বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. লায়েব উদ্দিন লাভলু ও বাঘা পৌরসভার সাবেক মেয়র এবং আওয়ামী লীগ নেতা আক্কাছ আলী স্থানীয় রাজনীতির বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বক্তব্য দেয়াকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. লায়েব উদ্দিন লাভলু ও বাঘা পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর শাহীনুর রহমান পিন্টুর কর্মী সমর্থকদের মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বাঘা পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর শাহীনুর রহমান পিন্টু দাবি করে বলেন, আমার সমর্থিত গাওপাড়া গ্রামের দবির উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী সোহাগ হোসেন বৃহস্পতিবার সকালে বাঘা বাজারে মাছ বিক্রি করতে যায়। এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের সমর্থক সানোয়ার হোসেন সুরুজ তাকে মারপিট করে। এই মারপিট করায় আমার সমর্থকরা মারপিট কারীদের গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে। তবে উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয় ঘেরাও করা হয়নি।


উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সানোয়ার হোসেন সুরুজ বলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মুকাদ্দেস আলীর ভাতিজার সঙ্গে প্যানেল মেয়র শাহীনুর রহমানের এক কর্মীর বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা ঘটেছে। তারপরও আমার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তারা থানা থেকে বের হয়ে এসে কয়েক’শ নেতাকর্মী আবারো উপজেলা আওয়ামী লীগের নতুন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ গিয়ে আবারো সেখান থেকে তাদের সরিয়ে দেয়
উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. লায়েব উদ্দিন লাভলু বলেন, আমার ওপর হামলার উদ্দেশ্যে বাঘা পৌরসভার প্যানেল মেয়র শাহীনুর রহমান পিন্টুর লোকজন লাঠি-সোঠা নিয়ে আমার উপজেলা কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়। এ সময় আমি কার্যালয়ে না থাকায় গালিগালাজ করতে থাকে। তারপর তারা সেখান থেকে সরে গিয়ে বাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে রাস্তা অবরোধ করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে অবরুদ্ধকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। আমি তিনদিন ধরে রাজনৈতিক কাজে রাজশাহী শহরে আছি।এটি খুবই ন্যাক্কারজন ঘটনা। তবে কেন তারা এটি করেছে, আমি কিছুই জানি না।’
এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় আওয়ামীলীগের মধ্যে একটি ঝামেলা হয়েছিলো। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে