বাঘায় মোবাইল বিক্রেতা যুবককে গলাকেটে হত্যা

0
333

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :
রাজশাহীর বাঘায় একটি আম বাগান থেকে জহুরুল ইসলাম নামে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬-জানুয়ারি) সকালে উপজেলার তেঁথুলিয়া শিকদার পাড়া এলাকা থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত যুবকের বাড়ি উপজেলার মনিগ্রাম মধ্যপাড়া গ্রামে। তার পিতার নাম রফিকুল ইসলাম।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জহুরুল ইসলাম(২৪)একই উপজেলার পানিকমড়া এলাকার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম ওরুপে (মনি)’র অধীনে প্রায় দেড় বছর ধরে বিভিন্ন ব্যান্ডের মোবাইল বিক্রয়ের চাকরি করে আসছে। এই চাকরির সুবাদে সে প্রতিদিন সকালে বাড়ী থেকে মোটর সাইকেল নিয়ে বের হয় এবং সন্ধ্যার পর প্রতিষ্ঠানে এসে মালিক মনিরুলকে হিসেব বুঝিয়ে দিয়ে বাড়ী ফিরে। কিন্তু মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর সে প্রতিষ্ঠানে ফিরেনি। উপরন্ত তার ব্যাবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ ছিল।
ঘটনার এক পর্যায় ব্যাবসায়ী মনিরুল ইসলাম মঙ্গলবার রাতে জহুরুল ইসলামের বাড়ী এসে জানতে পারে সে বাড়ীতে আসেনি। অত:পর সবার মধ্যে সন্দেহ বিরাজ করে। তারা এক পর্যায় রাতে বাঘা থানা পুলিশকে ঘটনটি অপব গত করেন।


এরপর সকালে উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের তেঁথুলিয়া শিকদার পাড়া এলাকার একটি ফাঁকা রাস্তার পাশে হাজী সাহাবাজ উদ্দিনের আম বাগানে জহুরুলের গলাকাটা লাশ পাওয়া যাই। একই সাথে রাস্তার উপরে পাওয়া যাই তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেল এবং অদুরে পাওয়া যাই হেলমেট-সহ একটি হাসুয়া।
স্থানীয় লোকজন জানান, সকালে খেজুরের রস পাড়তে আসা লোকজন রাস্তায় মোটার সাইকেল দেখে সন্দেহ হয়। তারা আশে-পাশে চোখ মেলে, এরপর বাগানের মধ্যে যুবকের গলাকাটা লাশ দেখতে পায়।
মৃত জহুরুল ইসলামের বড়ভাই রুহুল আমিন জানান, আগের দিন সোমবার সন্ধ্যার পুর্বে আমার ছোট ভাই আড়ানী বাজারে খলিফা ইলেক ট্রনিক-এ মালামাল দেয়। এটায় তার সাথে আমার শেষ কথা। কিন্তু সে প্রধান রাস্তা বাদদিয়ে মাঠের মধ্যে কি করে এলো সেটা আমার বোধগম্য নয় !
এব্যাপারে জহরুলের পিতা বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি)নজরুল ইসলাম জানান, তদন্ত না করে এই মুহুর্তে কিছুই বলা যাচ্ছে না। তবে লাশের পাশে দামি মোবাইল এবং মোটর সাইকেল ফেলে যাওয়া থেকে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে,পুর্ব শত্রæতার জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটতে পারে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে