গুজবে চারঘাটে লবণ কেনার হিড়িক, মুহূর্তেই গোডাউনশূন্য

0
80

ওবাইদুর রহমান রিগেন, চারঘাট:
‘২০০ টাকা হবে লবণের কেজি’ এমন গুজবে চারঘাট উপজেলার বিভিন্ন বাজারে লবণ কেনার হিড়িক পড়েছে।বাজারের প্রায় সব কয়টি পাইকারি ও খুচরা দোকানে লাইন দিয়ে খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের লবণ কিনতে দেখা গেছে।

তবে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিংয়ে নেমেছেন নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজমুল হক।তিনি লবণ নিয়ে গুজব না ছড়াতে সাধারন মানুষ ও ব্যবসায়ীদের অবগত করেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত সোমবার দিনগত রাত থেকে চারঘাট উপজেলায় লবণের কেজি ২০০ টাকা হবে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

এ কারণে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে উপজেলার বাজারে লবণের ডিলার, পাইকারি বিক্রেতা ও খচরা বিক্রেতাদের দোকানে লবণ কেনার জন্য ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়েন।

দুপুর ১২টার মধ্যে ডিলার ও অনেক পাইকারি ব্যবসায়ীর গোডাউন লবণশূন্য হয়ে যায়। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মাঠে নামে।

হঠাৎ করে এভাবে লবণ কেনার কারণে অনেক ডিলার বা পাইকারি ব্যবসায়ীরাও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।আবার এই সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি দামে লবণ বিক্রি করছেন। কেউ কেউ লবণ মজুদ করে রেখেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

পাইকারি লবণ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ বলেন, সকাল থেকেই আমাদের দোকানে লবণ কেনার জন্য সাধারণ জনগণ ও খুচরা বিক্রেতারা ভিড় করেন। বিকাল ৪ টার মধ্যে আমাদের দোকানের প্রায় সব লবণ বিক্রি হয়ে যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার নন্দনগাছী গ্রামের এক ভ্যানচালক বলেন, গতকাল রাতে ঢাকা থেকে আমার এক আত্মীয় ফোন করে জানিয়েছেন লবণের কেজি ২০০ টাকা হবে। তাই মঙ্গলবার সকালে এসেই বাজার থেকে ১০ কেজি লবণ কিনেছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, এ মুহূর্তে লবণের কোনো সংকট নেই। তাই দাম বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনাও নেই। যদি কোনো ব্যবসায়ী বাজার মূল্যের চেয়ে বেশি দামে লবণ বিক্রি করে তা হলে তার বিরুদ্ধে আইনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।যারা লবণ নিয়ে গুজব ছড়াবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে